Brain Damage
মৃত্যুর আগে কাকে চিঠি লিখে যাওয়া যায়? কিংবা সুইসাইডের আগে সুইসাইড নোট-টা কাকে লিখতে ইচ্ছা করে? কোথাও যেতে ইচ্ছা করে আরেকবার? বা কারোর সাথে একান্তে কথা বলতে? কিংবা ধরো কোনও গানে শেষ বার গলা মেলাতে বা কোনও বইয়ের চেনা পাতাটা শেষ বার পড়ে নিতে? শেষ বারের মতো কিংবা শেষের সময়টুকু কার সাথে কাটাতে ইচ্ছা করে? পৃথিবীর সাথে? নাকি হয়তো পৃথিবীর সব চেয়ে প্রিয় কিছুকে নিয়ে, যার মধ্যে তুমি নিজেকে খুঁজে পাও, শান্তি পাও। সেটা প্রিয়জনের কোল হোক, প্রিয় নদীর পাড় হোক, রিহার্সাল রুম হোক, কিংবা প্রিয় গান বা ছবি! আর যাদের সাথে তুমি শেষের সময় কাটাতে চাও তারা যদি তোমার আগেই হারিয়ে যায়?
কী অদ্ভুত না? মহাকাশে দুটো জ্যোতিষ্ক ধাক্কা মারল দু'জন দু'জনকে আর তারপর থেকেই এত্তএত্ত কিছু! কী অদ্ভুত ভাবেই এই গোটা জীবনে তোমার সাথে কত মানুষের দেখা হয়ে যায়। ব্যস্ত প্লাটফর্মে কত কত জোড়া পা কিলবিল কিলবিল করে ধাক্কা খায় প্রতিনিয়ত। আসলে সবাই ছুটছে। আমাদের মনে হচ্ছে আমরা আদতে নেওয়ার জন্য ছুটছি। কিন্তু তা নয়, আমরা আদতে কে কতটা দিয়ে যেতে পারব তার জন্য ছুটছি; সবাই ছুটছি। আর এত জোরে ছুটছি যে উচ্ছেদ ও পুর্ণবাসাণ-প্রকল্প সম্পূর্ণ চল্লিশ বাঁও জলে পড়ে আছে সে কথা মনে করারও দরকার নেই। আদতে ছুটতে থাকলে আর বাসস্থান কীসের, কীসের-ই বা উদবাস্তু আর কীসেরই বা পুর্ণবাসন। তাও মানুষের হৃদয় ও মগজ দুই থেকেই বহুবহু কিছু উচ্ছেদ হয়েছে এবং সেই শূন্যস্থানে নতুন জিনিস ইমপোর্টও হয়েছে; কিন্তু যারা উদবাস্তু হল, কালের নিয়মেই তারা আর কোথাও ঠাঁই পায়নি, তারা প্রাণী জগতের অন্যত্র স্থান নিয়েছে। আর আমরা ছুটছি আদতে কে কতটা দিয়ে যেতে পারি তার জন্য। সেখানে অবশ্য তফাৎ আছে। কার জন্য এবং কী দিচ্ছি সেটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমরা এই দিয়ে যাওয়ার মধ্যে দিয়েই মৃত্যুর পরও বেঁচে থাকতে চাই। কী অদ্ভুত ভাবেই তোমার সাথে কত কত প্রাণীর দেখা হয়ে গেল। ওরা মানুষ নয় অথচ এই পৃথিবীরই কুকুরদের কত ভালবাস তুমি, তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় একজন ছিল হয়ত; বা হয়ত ভীড় বাসে ট্রেনে বাড়ি ফেরার সময় পাশের ক্লান্ত মানুষটার ক্রমশ নেতিয়ে পড়া শরীরের ভারে কিংবা ব্রেকের ঝাঁকুনিতে মুহূর্তে শরীর শক্ত করে নেওয়ার ধাক্কায় কি নিজেকে খুঁজে পাও না তুমি? আর যেটুকু তুমি হতে চেয়েও হতে পারলে না? যা তোমার মাথার ভেতর কুরেকুরে খাচ্ছে, কিন্তু তুমি যাপন করতে পারছ না বলে সেই 'তুমি'কে পাচ্ছ না, তখন কী করবে? আমরা তো জন্ম কাঙাল। অন্য কারোর মধ্যে একটু খুঁজে পেলেই কেমন লতার মতো জড়িয়ে বেড়ে উঠতে চাই। আর যার মধ্যে সব চেয়ে বেশি নিজেকে খুঁজে পেলে? সে যদি হঠাৎ করেই অনেক অনেক আগে হারিয়ে যায়? তখনও কি তাকেও তুমি আরও বেশি করে নিজের মধ্যে, সবার মধ্যে খোঁজার চেষ্টা করবে না? যদি খুব কেঁদেও কাউকে না পাও, কান্না থামার পর পাহাড়কে কি তোমার মনে পড়বে না?
বৃষ্টির মধ্যেও যে আমাদের ঘরে ওইদিনের ভীষণ বড় খবর ভোর বেলা পৌঁছে দেবে, সেই খবর একদিন কেউ কুড়িয়ে নিয়ে জ্বাল দিয়ে চাল ফোটাবে হয়ত। আর রাত জেগে প্রতিদিন এমন প্রিন্টিং প্রেসে শব্দ হবে নিয়ম মাফিক। হরতাল কঠিন হিসাব হ্যান ত্যান করতে গিয়ে ভুলেই যাব আমার দু'মুঠো ভাতের নিশ্চয়তা নেই, ভাগ্য ক্রমে পাচ্ছি, যে কোনও দিন নাও পেতে পারি। তারপরও মনে হবে আমার কখনও পৃথিবীটা দেখা হল না; ভিক্টোরিয়া, নায়াগ্রা, কেম্পটি দেখা হল না, স্টারি নাইট দেখা হল না, আকাশ দেখা হল না, কত কত কিছু হল না। এত এত কিছু না হয় তখন প্রচন্ড বিষ্ণন্নতা আসে। আবার মনে হয় অদৃশ্য কিছু একটা তো সারা জীবনই কত ভাবে স্রোতের মতো টেনে গেল। এখন মাঝেমাঝে মনে হয় যার মধ্যে নিজেকে খুঁজে পেলাম ভাবলাম সে কীভাবে আমাকে ডেকে এনে ঘরে আটকে রেখে চলে যায়? আবার একটা সময় মনে হয় সে যতই অজুহাত দেখাক, আদতে আমার-ই ঘরটার উপর ভালবাসা ছিল তাই আমি এসেছি, থেকে গেলাম। এই ঘরের জন্যই কত কত মানুষ দৌড়াচ্ছে। সামান্য মাথা গোঁজার ঘরই এখনও সবার জোটেনি। কিন্তু আমার কি বিশ্বাস বদলে যাবে যে মানি মেকস দ্য ওয়ার্ল্ড রঙ? তুমি ভাবতে পারো চরমতম উজ্জ্বলতাতেও যদি কালো দাগ থাকে তবে সেই কালো দাগের জোর কতটা? যে ঘরে তোমার আগের প্রজন্ম দু-পা পিছিয়ে তালা দিয়েছিল, সেই তালা তুমি খুলে আরও চার পা এগিয়েছ নিজেকে। আজ সেই ঘর ছেড়ে দেওয়া বললেই ছেড়ে দেওয়া যায় না। কিছুকিছু অনুভূতি কাউকে বলা যায়না, কাউকেই না, যেগুলো প্রচন্ড রকম সৎ আর নিজের, সেগুলো আমি চাই আমার একার মধ্যে দিয়েই আমার সাথে পৃথিবীতে মিশুক। হয়ত শব্দ কল্পে নয়, কিন্তু আমার মৃত্যুর পরও আমার সাথেই তা পৃথিবীতে মিশবে
মৃত্যুর আগে কি আর কিছু বলে যাওয়ার থাকে? কোনও আশ্বাস দেওয়ার থাকে, সত্যি কিংবা মিথ্যে? আসছি, আবার দেখা হবে? আদতে এত এত শব্দ, দৃশ্য, অনুভূতি, স্পর্শ, কল্পনা, স্বাদ, গন্ধ সব কিছুর ভেতরে আমরা বসে আছি। আবার আমাদের ভেতরেও এই সবকিছুই আছে। এই এত এত এত কিছু শুধু মনে হয়
"Strangers passing in the street
By chance two separate glances meet
And I am you and what I see is me"
বৃষ্টির মধ্যেও যে আমাদের ঘরে ওইদিনের ভীষণ বড় খবর ভোর বেলা পৌঁছে দেবে, সেই খবর একদিন কেউ কুড়িয়ে নিয়ে জ্বাল দিয়ে চাল ফোটাবে হয়ত। আর রাত জেগে প্রতিদিন এমন প্রিন্টিং প্রেসে শব্দ হবে নিয়ম মাফিক। হরতাল কঠিন হিসাব হ্যান ত্যান করতে গিয়ে ভুলেই যাব আমার দু'মুঠো ভাতের নিশ্চয়তা নেই, ভাগ্য ক্রমে পাচ্ছি, যে কোনও দিন নাও পেতে পারি। তারপরও মনে হবে আমার কখনও পৃথিবীটা দেখা হল না; ভিক্টোরিয়া, নায়াগ্রা, কেম্পটি দেখা হল না, স্টারি নাইট দেখা হল না, আকাশ দেখা হল না, কত কত কিছু হল না। এত এত কিছু না হয় তখন প্রচন্ড বিষ্ণন্নতা আসে। আবার মনে হয় অদৃশ্য কিছু একটা তো সারা জীবনই কত ভাবে স্রোতের মতো টেনে গেল। এখন মাঝেমাঝে মনে হয় যার মধ্যে নিজেকে খুঁজে পেলাম ভাবলাম সে কীভাবে আমাকে ডেকে এনে ঘরে আটকে রেখে চলে যায়? আবার একটা সময় মনে হয় সে যতই অজুহাত দেখাক, আদতে আমার-ই ঘরটার উপর ভালবাসা ছিল তাই আমি এসেছি, থেকে গেলাম। এই ঘরের জন্যই কত কত মানুষ দৌড়াচ্ছে। সামান্য মাথা গোঁজার ঘরই এখনও সবার জোটেনি। কিন্তু আমার কি বিশ্বাস বদলে যাবে যে মানি মেকস দ্য ওয়ার্ল্ড রঙ? তুমি ভাবতে পারো চরমতম উজ্জ্বলতাতেও যদি কালো দাগ থাকে তবে সেই কালো দাগের জোর কতটা? যে ঘরে তোমার আগের প্রজন্ম দু-পা পিছিয়ে তালা দিয়েছিল, সেই তালা তুমি খুলে আরও চার পা এগিয়েছ নিজেকে। আজ সেই ঘর ছেড়ে দেওয়া বললেই ছেড়ে দেওয়া যায় না। কিছুকিছু অনুভূতি কাউকে বলা যায়না, কাউকেই না, যেগুলো প্রচন্ড রকম সৎ আর নিজের, সেগুলো আমি চাই আমার একার মধ্যে দিয়েই আমার সাথে পৃথিবীতে মিশুক। হয়ত শব্দ কল্পে নয়, কিন্তু আমার মৃত্যুর পরও আমার সাথেই তা পৃথিবীতে মিশবে
মৃত্যুর আগে কি আর কিছু বলে যাওয়ার থাকে? কোনও আশ্বাস দেওয়ার থাকে, সত্যি কিংবা মিথ্যে? আসছি, আবার দেখা হবে? আদতে এত এত শব্দ, দৃশ্য, অনুভূতি, স্পর্শ, কল্পনা, স্বাদ, গন্ধ সব কিছুর ভেতরে আমরা বসে আছি। আবার আমাদের ভেতরেও এই সবকিছুই আছে। এই এত এত এত কিছু শুধু মনে হয়
"Strangers passing in the street
By chance two separate glances meet
And I am you and what I see is me"
আদতে সবটাই মাথার ভেতর শব্দ কল্প অনুভূতির সংঘর্ষ
Brain Damage
Band - Pink Floyd
Album - Dark side of the moon
Band - Pink Floyd
Album - Dark side of the moon
The lunatic is on the grass
The lunatic is on the grass
Remembering games and daisy chains and laughs
Got to keep the loonies on the path
The lunatic is on the grass
Remembering games and daisy chains and laughs
Got to keep the loonies on the path
The lunatic is in the hall
The lunatics are in my hall
The paper holds their folded faces to the floor
And every day the paper boy brings more
The lunatics are in my hall
The paper holds their folded faces to the floor
And every day the paper boy brings more
And if the dam breaks open many years too soon
And if there is no room upon the hill
And if your head explodes with dark forebodings too
I'll see you on the dark side of the moon
And if there is no room upon the hill
And if your head explodes with dark forebodings too
I'll see you on the dark side of the moon
The lunatic is in my head
The lunatic is in my head
You raise the blade, you make the change
You re-arrange me 'til I'm sane
You lock the door
And throw away the key
There's someone in my head but it's not me
The lunatic is in my head
You raise the blade, you make the change
You re-arrange me 'til I'm sane
You lock the door
And throw away the key
There's someone in my head but it's not me
And if the cloud bursts, thunder in your ear
You shout and no one seems to hear
And if the band you're in starts playing different tunes
I'll see you on the dark side of the moon
https://youtu.be/mRH-URpgZrM
You shout and no one seems to hear
And if the band you're in starts playing different tunes
I'll see you on the dark side of the moon
https://youtu.be/mRH-URpgZrM

Comments
Post a Comment