Eclipse
- বেশ করিছি শালা ছিঁইড়া ফেলাইছি। প্রতিডা দিন টাকাগুলান পুঙা মারা যায়। শালার টিকিডির জন্যি আগের দিন ঘরে একখানও আলু নাই, শুকনো ভাত খাওয়াইয়ি নাতিডারি পাঠাইসি; কম পইসা গেছে এই টিকিডির পিছনি!
- আরে ঠাম্মা তা সে টিকিট কোথায়? দ্যাও। এই নাম্বার দুটোই খেলা হয়েছে পাঁচ সেমে। বেঁধে গেছে আজ। চেল্লামেল্লি করছ কেন!
- কী নাম্বার তা উনার মনে আছে নাকি? সে টিকিড ছিঁইড়া ফেলাইছি পরদিনই, উনার নাকি নাম্বার মনে আছে!
-আরে দোকান থেকে বলছে দাদুর নাম্বার লেগিছে। সাত লেগিছে। চার ক্যাশ পাবা। তাও মুখ ঝামটা দ্যাও!
- আরে তোদের কত বার বলতি হবে শালা টিকিড নাই। দিনের পর দিন টিকিড টিকিড টিকিড! ক্যান? দোকানডা পড়ে রইতেসে সেদিকি চ্যোখ যায় না? দোকানডা খুলি একডু বসা যায় না? শালার টিকিডির নেশা লেগিছে। জুয়ার টাকা শালা পুঙায় গ্যোঁজ। গতর নড়াতি কষ্ট হয়, তাস পিটানো ছাড়া আর কোন কাজডায় লাগে শুনি? তাও শালা য্যে কডা তাসের আড্ডা বসাস কেউ চা খাস নে; একখান বিড়ির পাতা নিয়ে বইসে যাস। তোদির দেখে ভদ্দরলোকগুলো দুকান মাড়ায় না। একটু পরেই তো বাংলা এসি যাবে নে! টাকাডা পেলে নেশাডা ভাল হইত বল? একদিনই শালা বেঁধিছে, তাও বেঁধিছে কিনা ঠিক নাই। বেশ করিছি শালা ছিঁড়ে ফেলাইছি। ছিঁইড়া ফেলাইনি, জ্বালাইয়ে দিইছি। ঘোষিদের বাড়ি থেকে নারকেলের পাতাগুলান আনতি বলিছিলাম, জ্বাল দেওয়ার কিছু নাই। এনিছে? এনিছে? শুনে দেখ দিকিনি। সেই তো আমারেই কাগজ, কাঠ নিয়ে আসতি হইছিল। জ্বালাই দিছি। টিকিট ছিঁইড়া জ্বাল দিছি। ভাত ফুটাইসি গিলার জন্যি
মহাবিশ্বে প্রতিটা বস্তু প্রতিটা বস্তুকে আকর্ষণ করে। প্রতিটা কণা প্রতিটা কণাকে আকর্ষণ করে। পৃথিবী যেমন আমাকে ধরে রাখছে তেমন আমি ধরে রাখছি পৃথিবীকে। কিন্তু পৃথিবীর কেন্দ্রটান উপেক্ষা করে আমি রাতের আকাশকে সব থেকে বেশি ভালবেসেও তার কাছে পৌঁছাতে পারিনা; তাকে আমার কাছে আনতে পারিনা। তুমি যাকে ভালবাসছ তাকেও আকর্ষণ করছ, যাকে ঘেন্না করছ তাকেও আকর্ষণ করছ। কিন্তু একজনের কাছে আসছ, আরেকজনের থেকে দূরে সরছ। আমাদের মানুষদের বোধহয় এমন কোনও অজানা শক্তি আছে যাতে একে অপরকে কাছে টেনে রাখতে পারি, আবার দূরত্ব তৈরী করতে করতে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারি। কিন্তু পাহাড়কেও আমি ভীষণ ভালবাসি। পাহাডের গায়ের জঙ্গলের চোরা রাস্তা দিয়ে একা হাঁটতে ভীষণ ভাললাগে। সবার আড়ালে গিয়ে আমি পাহাড়ের সাথে কথা বলি। পাহাড় প্রতিবার আমাকে নিজেকে দেখতে শেখায়। কিন্তু পাহাড় আমাকে টানে, গায়ে সেঁটে থাকার টান নয়, অন্যভাবে টানে। পরমানুর ইলেকট্রন প্রোটন যেমন এনার্জি ইন্টারচেঞ্জ করে সংগঠিত থাকে, তেমন ভাবেই ঠিক আমরাও বেঁচে আছি। প্রতিনিয়ত অন্যের থেকে শিখে, অন্যকে শিখিয়ে মানুষ নিজেকে উন্নত করেছে। কিন্তু পরমানু থেকে একটা শক্তি কমে গেলে অন্য আরেকটা শক্তি বেড়ে যাবেই। মানে ধনাত্মক শক্তি তখনই বাড়বে একমাত্র, যখন ঋণাত্মক শক্তি কমবে। একটা শক্তির পরিবর্তন হলে অপর শক্তি প্রভাব শূন্য বা নিষ্ক্রিয় বা আগের জায়গায় বা পরিবর্তনহীন ভাবে কখনওই থাকে না, দুটো শক্তিরই পরিবর্তন হয়; একটা বাড়ে একটা কমে। তাতে মূল পরমাণু বিকৃত হয়ে স্বকীয়তা হারায়
বিগত প্রায় চল্লিশ পঞ্চাশ বছর ধরে দেশ জুড়ে পোড়া গন্ধ বেরোচ্ছিল। এখন আগুনের শিখাটা দেখা যাবে আরও কয়েক দশক ধরে, যদ্দিন না এই পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ, সমস্ত শক্তি একশ্রেণীর হাতে কুক্ষিগত হওয়া শেষ না হয়। সাম্যাবস্থা বিঘ্নিত হতে হতে বিকৃতি যত আসবে ততটাই শক্তিশালী আরেকটা শক্তির জন্ম হবে। তারপর স্বাভাবিক নিয়মে বিষ্ফোরণ আসবে
এরপর বাকিটা আরোই সবার জন্য না কেননা নিজের জন্যই এটা প্রচন্ড দুর্বোধ্য এবং দুঃসাধ্য কাল্পনিক
- এই বাঁড়া ওকে একা ছাদে ছেড়ে এলি? মালটা আউট বাস্ট হয়ে লাফ ফাফ দিয়ে দেবে না তো? নিয়ে আয় ভাই
- ধ্যার। কাটিয়ে দে। ও এখন গেছে ছাদে। ভেবে টেবে ঠিক চলে আসবে। চুদির ভাই সানগ্লাস পড়েই ছাদে গেছে, শুধু অন্ধকারে টাল না মারলেই হল! চ ছাদেই যাই, এক সাথে সিগারেট খেয়ে চলে আসব
প্রাণ কোনও মহাজাগতিক বা ইউনিভার্সাল কিছু নয়।প্রাণের আগে এবং পরে কিছু অবশ্যই আছে। সারা মহাকাশে প্রচুর এনার্জি ছড়িয়ে আছে। এনার্জির রূপান্তর হয়। তাহলে প্রাণ যদি এনার্জি হয় তাহলে তারও রূপান্তর হয়। প্রাণ বিচ্ছিন্ন কোনও এনার্জি হতে পারেনা। এটা হয়ত একটা বড় এনার্জির ট্রান্সফর্মেশনে কন্টিনিউ প্রসেসে চলছে। প্রাণ স্বকীয় কোনও এনার্জি নয়। শক্তির রূপান্তরের একটা ধাপ প্রাণ
- এই ভুলভাল প্রশ্ন করিস না বাবা আর! দেখেছিস তো টপিক থেকে সরে যাচ্ছি। সিলেবাস শেষ হবে না। এই ইউনিট টেস্টটায় তিনটে ভাইটাল চ্যাপটার আছে। আধঘন্টাও নেই আর। এই চ্যাপাটারটা আজ শেষ করতে হবে, ওদিকে দেরি হলে ওই ছেলে মেয়েগুলো এসে আবার বসে থাকবে। তো পর্যায়সারণীটা কিন্তু মুখস্থ চাই পরের দিন। পরমানুর বাইরের কক্ষে থাকে বাল বাল বাল লাব লাব লাব ব্লা ব্লা ব্লা ল্বা ল্বা ল্বা
আমরা আসলে ইলেকট্রনের ফ্লো। ইলেকট্রন খাচ্ছি, হাগছি, ছুঁড়ছি, লুফছি, ছিঁড়ছি......
ছ্যাতলা পড়া আয়নাটায় নিজেকে স্পষ্ট দেখতে পাইনা। কিন্তু হলদে ফুটপাথের আলোয় নিজের ছায়াটা স্পষ্ট দেখতে পাই। একটা হাইরোডে থেঁতলে যাওয়া ছিন্ন ভিন্ন মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দেখতে পাই। আমার প্রচন্ড রাগ হয়। কার্ট কোবেন। মাই গার্ল। পিস্তল। বুলেট। শ্যুট। আওয়াজ। আমার প্রচন্ড রাগ হয়। প্রচন্ড অস্বস্তি হয়। আওয়াজ। অ্যাম্বুলেন্স? না পুলিশ ভ্যান?
তামাকের বীজ পুড়লে মানুষ পোড়া গন্ধ পাই। গা গুলিয়ে ওঠে। বমি পায়। ব্ল্যাক। পৃথিবী। মহাকাশ। নীহারিকা। গ্রাভিটি। থিওরি। প্রক্টিক্যাল। টাইম। এনার্জি। প্রতিটা সেন্টেন্সের ক্রশ কোশ্চেন, I can feel but I can't read.. a process.. a system... a coding decoding... a frequency... TIME....! ENERGY...! A never ending process.. you have to think.. you have to think..
I can feel, I can feel, but I can't read.. a n e v e r e n d i n g p r o c e s s . . . . . .

Comments
Post a Comment